পোস্টগুলি

2016 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
প্রিয় মহারাঁনী,,,,,,,,,,, তুই কেমন আছিস প্রশ্নটা করে তোকে বিব্রত করবো না।আমি জানি তুই উত্তর দিবি না….। হয়তো তোর ইচ্ছে করে উত্তর দিতে কিন্তু দিলে এই বাঁদরটাকে কাঁধে চড়ানো হবে।আজ কেন জানি তোকে খুব করে লিখতে ইচ্ছে হলো।তোকে জানাতে ইচ্ছে হলো আমি বেঁচে আছি।মাঝে মাঝে চিঠি লেখাটা আমার অভ্যেস।তাতে আমার মন ভাল থাকুক কিংবা খারাপ,আমি চিঠি লিখি…অমুককে,তমুককে…একে কিংবা ওকে।আমার বেশীরভাগ চিঠিগুলোই রয়ে যায় ডায়েরীর নিস্তেজ পাতাগুলোতে।কেননা আমি যাদের লিখি এদের কারও ঠিকানায় আমার জানা নেই কিংবা জানা থাকলেও তারা উত্তর দেবে না কখনই।একদিন হয়তো আমি মৃত্যুকে চিঠি লিখব।কে জানে সেও মুখ ফিরিয়ে থাকবে কিনা।ভালো থাকিস হাজারো খারাপের ভীড়ে, """""একজন ক্যায়ার ল্যেস বয়"""
একটি মিষ্টি প্রেমের গল্প। পড়ে বলুন কেমন লাগলো----- মেয়েটির ডাইরী:- বিয়ের প্রতি কোন কালেই আমার আগ্রহ ছিলোনা ৷ বিয়ে মানে নিজের স্বাধীন জীবন অন্যের অধীনে চলে যাওয়া ৷ অর্থাৎ পরাধীন হয়ে পরা ৷ কিন্তু তারপরও মা বাবার জোরাজোরিতে বিয়েটা করতেই হলো ৷ তবে বাসর রাতেই স্বামীকে জানিয়ে দিয়েছি যে বিয়েতে আমার মত ছিলোনা ৷ বাধ্য হয়ে বিয়েটা করতে হয়েছে ৷ সুতরাং অামার সামনে যেন স্বামীর অধিকার ফলাতে না আসে ৷ কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে সেও বল্লো এই বিয়ের প্রতি তারও নাকি কোন আগ্রহ নেই ৷ বলেই বালিশ নিয়ে গিয়ে সোফায় শুয়ে পরলো ৷ . <ছেলেটির ডাইরী:- সবে মাত্র চাকরীতে জয়েন করেছি ৷ এর মধ্যেই বাবা মা বিয়ের জন্য উঠেপরে লেগেছে ৷ অনেকটা জোর করেই মেয়েটির সঙ্গে বিয়েটা করালো ৷ বাসর ঘরে যেইনা বলতে যাবো যে আমি তোমাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারবো না অমনি সে বলে উঠলো বিয়েতে নাকি তার মত ছিলো না ৷ আমিও বালিশটা নিয়ে সোফায় এসে শুয়ে পরলাম ৷ . >মেয়েটির ডাইরী:- আজ প্রচন্ড বৃষ্টি হয়েছিল ৷ বৃষ্টি হলেই না ভিজলে আমার ভালোলাগে না ৷ তাই আজও ভিজছিলাম ৷ তখনি সে এসে বল্লো বৃষ্টিতে যেন না ভিজি ৷ কারন জ্বর হলে কে ...