পোস্টগুলি

  #বাঁধনহারা তোমাকে ভালোবাসি বলে এই নয় যে তোমার খারাপ কথাতেও আমি সাই দেবো। তুমি আমায় ছেড়ে গেলে যেতে পারো, কিন্তু... বুকে হাত রেখে বলো তো এমনভাবে কি ভালোবাসা হয়..? হঠাৎ,কারো বিপদের সময়.. তোমার তৃপ্তির স্বাদ মেটাতে যদি আমাকে তোমার ঠোঁটের উপর ঠোঁট লাগিয়ে বসে থাকতে হয়। তাহলে,এমন প্রেমিকাকে আমি ঘেন্না করি। ঘেন্না করি এমন ভাবে ভালোবাসা মানুষদের। প্রিয়তমা,তুমি জানো ভালোবাসা মানে। ভালোবাসা মানে হলো মুক্তি। শিকল খোলা দূর আকাশে উড়তে দেওয়ায় স্বাধীনতা। যাকে তুমি ভালোবাসো তাকে তুমি পাখি হতে দাও। সে উড়ুক,সে খুঁজুক,সে আবিষ্কার করুক এই বাঁধনহারা স্বার্থান্বেষী পৃথিবীর পথের প্রেম সমাধিগুলো কে। যখন সে একসময় সব রহস্য গুলোকে উদঘাটন করবে। তখন সে হাসবে,বিরক্ত হবে,সে কাঁদবে সে ভালোবাসতে শিখবে। কিন্তু সে ছেড়ে যাওয়ার অজুহাত কোনদিন দেবে না। যারা ভালবাসতে জানে না তারা ছেড়ে যায়। সত্যি কারের ভালোবাসা কোনদিন হারায় না। হয়,প্রেমিক মারা যায় নয় তো প্রেমিকা। নিজের মনের মানুষকে তাই পাখি হতে দাও। কারণ পাখিরাও উড়তে পারার একটা সময় পরে বুঝতে পারে, নিজের মনের মানুষের খাঁচার চেয়ে নিরাপদ স্থান... আর এই...
  ভালোবাসি স্মৃতির শহরে কত পুরনো প্রেম রয়েছে পড়ে চাপা। সময় পেরোলে তা যাইরে ভোলা সেই গোলাপ গোঞ্জা খোঁপা। ভোরের শহরের চিলতে রোদে খিদের চোটে তোর ডাকত পেট ফুটপাতেতে দু-পেহালা চা আর আমার ঠোঁটে চার্মিনার সিগারেট। আগে পুরনো আঁচের বর্ণমালা আসতো ন্যাপথলিন মোড়া খামে। গোধূলিতে উড়তাম দুজন এদিকওদিক শিল্পযুগের নৌকো ট্রামে। সবুজ পাতার ঘামের গন্ধে আমার বুকে তোর কাটতো রাত। মনে পড়লে আমায় তোর দরজায় আসে বাসন্তীমরণ বজ্রাঘাত। কাক ভোরেতে দেখতে তোকে হাতের মধ্যে নিতাম প্রাণ। সেই তুই কিনা আমার জন্য জমিয়ে রাখলি অভিমান। শুনশান পাড়ায় কাটছে বছর,কাটছে দিন,কাটছে কত শনিবার। তোর একবারও কি কথা মনে পড়ে না সেই নীল ছাপা শাড়িটার। যদি আসিস গোলদিঘিতে গল্প বলব এক উড়নচন্ডী,বাউন্ডুলের। সেই দূর শহরের গন্ধ আসে তোর ঈষদুষ্ণ ভেজা চুলের। স্মৃতির আঁচলে ঘুণ ধরেছে তাকে ঝাপটে আছে মাকড়সার জাল। তোর বন্দর সম্মুখে তবু হবে না দেখা আগামীকাল। তুই শুধু একবার বল লাবণ্য চোখে যে আমার সাথে ঘুরতে যাবি। ফাগুনের অঞ্জলিতে পরবো তোর দেওয়া সেই পাঞ্জাবি। কিন্তু,তুই সন্ধ্যাতারার মেঠো পথে হঠাৎ থেমে বললি-আসি কই.?হাতটা ধরে বললি-না তো শুধু তোকেই...
প্রিয় মহারাঁনী,,,,,,,,,,, তুই কেমন আছিস প্রশ্নটা করে তোকে বিব্রত করবো না।আমি জানি তুই উত্তর দিবি না….। হয়তো তোর ইচ্ছে করে উত্তর দিতে কিন্তু দিলে এই বাঁদরটাকে কাঁধে চড়ানো হবে।আজ কেন জানি তোকে খুব করে লিখতে ইচ্ছে হলো।তোকে জানাতে ইচ্ছে হলো আমি বেঁচে আছি।মাঝে মাঝে চিঠি লেখাটা আমার অভ্যেস।তাতে আমার মন ভাল থাকুক কিংবা খারাপ,আমি চিঠি লিখি…অমুককে,তমুককে…একে কিংবা ওকে।আমার বেশীরভাগ চিঠিগুলোই রয়ে যায় ডায়েরীর নিস্তেজ পাতাগুলোতে।কেননা আমি যাদের লিখি এদের কারও ঠিকানায় আমার জানা নেই কিংবা জানা থাকলেও তারা উত্তর দেবে না কখনই।একদিন হয়তো আমি মৃত্যুকে চিঠি লিখব।কে জানে সেও মুখ ফিরিয়ে থাকবে কিনা।ভালো থাকিস হাজারো খারাপের ভীড়ে, """""একজন ক্যায়ার ল্যেস বয়"""
একটি মিষ্টি প্রেমের গল্প। পড়ে বলুন কেমন লাগলো----- মেয়েটির ডাইরী:- বিয়ের প্রতি কোন কালেই আমার আগ্রহ ছিলোনা ৷ বিয়ে মানে নিজের স্বাধীন জীবন অন্যের অধীনে চলে যাওয়া ৷ অর্থাৎ পরাধীন হয়ে পরা ৷ কিন্তু তারপরও মা বাবার জোরাজোরিতে বিয়েটা করতেই হলো ৷ তবে বাসর রাতেই স্বামীকে জানিয়ে দিয়েছি যে বিয়েতে আমার মত ছিলোনা ৷ বাধ্য হয়ে বিয়েটা করতে হয়েছে ৷ সুতরাং অামার সামনে যেন স্বামীর অধিকার ফলাতে না আসে ৷ কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে সেও বল্লো এই বিয়ের প্রতি তারও নাকি কোন আগ্রহ নেই ৷ বলেই বালিশ নিয়ে গিয়ে সোফায় শুয়ে পরলো ৷ . <ছেলেটির ডাইরী:- সবে মাত্র চাকরীতে জয়েন করেছি ৷ এর মধ্যেই বাবা মা বিয়ের জন্য উঠেপরে লেগেছে ৷ অনেকটা জোর করেই মেয়েটির সঙ্গে বিয়েটা করালো ৷ বাসর ঘরে যেইনা বলতে যাবো যে আমি তোমাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারবো না অমনি সে বলে উঠলো বিয়েতে নাকি তার মত ছিলো না ৷ আমিও বালিশটা নিয়ে সোফায় এসে শুয়ে পরলাম ৷ . >মেয়েটির ডাইরী:- আজ প্রচন্ড বৃষ্টি হয়েছিল ৷ বৃষ্টি হলেই না ভিজলে আমার ভালোলাগে না ৷ তাই আজও ভিজছিলাম ৷ তখনি সে এসে বল্লো বৃষ্টিতে যেন না ভিজি ৷ কারন জ্বর হলে কে ...
অস্তমিত সূর্যের মূখ দেখে, একাকীত্বের নিস্তব্ধ নিঃস্বয়তায় মিশে পৃথিবীর বুকে প্রেমহীনভাবে নির্ঘুম রাত কাটাবার মতো বিরহ বিষে বিষাক্ত হতে দেবোনা আমি তোমাকে কভূ। http://almamun-bd.blogspot.com/ মুগ্ধতার কোন ছলনা মন্ত্রে নয় নির্ভেজাল ভালোবাসার চিত্রপটে তোমাকে রাঙ্গাবো আমি রঙ ধনুর সাত রঙে। আমি যে বেঁচে থাকতে চাই তোমার হৃদয়ে তোমার প্রাণের রাজপুত্তর রূপে! আমার হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা আমি তোমায় দেবো। তোমার হৃদয়ের সবটুকু সতেজ ভালোবাসা আমি নেবো।। এরূপ হতে আমায় শক্তি দাও- হে, জগত প্রভূ! ধূলোপড়া সন্ধ্যাতে অপেক্ষার চোরাবালিতে ডুবে বর্ণিল কষ্টের ছোপে সিক্ত হয়ে, আছড়ে পড়া ঢেউয়ের নিঃস্ব হয়ে- শুণ্য শুণ্য দহন বেলায় শংকিত স্বপ্নবতী হতে তোমায় আমি দেবোনা কভূ। কেননা তোমায় নিয়ে আমি যে আছিঃ বোবা আকাঙ্ক্ষার স্বপ্ন বুনে! আমি শিমূল বনের সমস্ত আলতা এনে তোমার কপালে আঁকবো টিপ! ভালোবাসার পানসি সাজিয়ে অষ্টাদশী চাঁদের বুকে হারিয়ে যাবো আমি- তোমায় নিয়ে। ঘুরবো আমি ভালোবাসার সকল প্রান্তে-সীমান্তেঃ কোন সময় প্রহর না গুণে।
মনে থাকবে না! এই আলো, এ বিকেল, এই বেচা-কেনা, এই কাজ-- প্রেম, রাঙা জীবনের দেনা এ নিবিড় পৃথিবীর, নিজেদের হঠাৎ এ চেনা মনে থাকবে না। তবু কিছু থাকবে কোথাও, এই আলো এই ছায়া যখন উধাও বিকেলের উপকূলে বিকেলের শ্বাস ফেলে চুপচাপ ঝাউ, আলো-লাগা, ভালো-লাগা মন-নেই তা-ও তখন ও হয়তো কিছু থাকবে কোথাও। তখন ও থাকবে ছবি তোমার-আমার। দেখবে, পারো না একা হৃদয়ে তাকাতে তুমি আর, যত বার তাকাবে দেখবে কেউ আছে তাকাবার; অপলক চোখ যেন কার তোমার চোখের পাশে – হয়ত আমার। আমার আকাশ নেই আমার আকাশ নেই তবু তারে পেতে দাও দাও এক কণা সোনালী সন্ধ্যায় আজ একবার বলো শুধু বলো :' ভুলবো না'। তারপর ভুলে যেয়ো তুলে নিয়ো দুই চোখে নীরব তিমির--- তারপর মুছে যাক এই কথা, এই আলো এই পৃথিবীর। তবু চোখে রাখ চোখ ছল হোক আঁকো ছবি জলরঙ দিয়ে--- খানিক আকাশ গড়ি ক্ষণিকের আলো- ছোঁয়া কথা- দেওয়া নিয়ে।। হৃদয় আকাশ হয়ে আছে হৃদয় আকাশ হয়ে আছে। কোনো এক মৃত নাম নীলিমায় নীল মেঘের আখর নেই, নীল অনাবিল। কোনো এক মৃত মন শাদা ছায়াপথ দূরের তারার ফুল -- বাসি ফুল -- মনের শপথ। কোনো মৃত হৃদয়ের স্বাদ ভোরের আলোর জলে মুছে যাওয়...